https://www.ittechrajbd.com
Digital Marketing,  Outsourcing

ঘরে বসে অনলাইনে কাজ করে অর্থ উপার্জন

বর্তমান সময়ের পেক্ষিতে মানুষ, অনেক ভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছে আর এ জন্য  নানা কৌশল প্রয়োগ করছে।

অনলাইনে আয়ের নানা পথও তৈরি হয়েছে। তবে অনেকেই  অনলাইনে কাজ করে আয় করতে গেলে কোন প্ল্যাটফর্ম ধরে এগোতে হবে সে বিষয়ে সঠিক ধারনা না থাকার কারণে হতাশ হয়ে পরছে।

এছরা বিভিন্ন জাইগাতে টাকা ইনভেস্ট করে তারা কোন উর্পাজন না করতে পেরে তারা আরো বেশি হতাশ হয়ে পরছে তাই আমাদের কে  সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।

অনলাইনে আয় করার নানা সুযোগ থাকলেও কিছু কিছু ক্ষেত্রে প্রতারণার মুখে পড়তে হতে পারে।

অনলাইনে কাজ করে দ্রুত কোটিপতি বনে যাওয়ার সুযোগ নেই। তাই এ ধরনের প্রতারণামূলক কাজের থেকে নিজেকে দুরে  রাখতে হবে।

কোন বিশেষ অফার পেলে তার দিকে না ঝুকে পড়া উচিৎ। কিছু অনলাইন মার্কেটপ্লেস, ওয়েবসাইট ও রিসোর্স আছে, যা কাজে লাগিয়ে অনলাইনে আয় করা সম্ভব।

ফ্রিল্যান্সিং

অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে সবচাইতে বেশি জনপ্রিয় ও নির্ভযোগ্য মার্কেপ্লেস ফ্রিল্যান্সিং ।

এখানে কাজ  করে উর্পাজন করা অনেক কঠিন তবে , এখানে উর্পাজন করা সম্ভব এবং নির্ভযোগ্য  এবং সবচেয়ে জনপ্রিয়।

 বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সারদের দক্ষতার ওপর ভিত্তি করে ফ্রিল্যান্সে কাজের সুযোগ দেয়।

 ফ্রিল্যান্সে অ্যাকাউন্ট খুলে দক্ষতা অনুযায়ী কাজের জন্য আবেদন করতে হয়, এছারা আমরা এখান থেকে কনটেন্স করে উর্পাজন করতে পারি।

আবেদনকারী কাজদাতা বা বায়ার  তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী  ফ্রিল্যান্সারদের সাথে যোগাযোগ করে  কাজ দেয়।বায়ার তাদের কাজের বিবরণ দেই সেই কাজ গুলো করে দিলে তারা পেমেন্ট করে দেই।

এছারা ঘণ্টায় ৫ থেকে ১০০ ডলার পর্যন্ত অফারে কাজ করে আয় করা যায় ।

এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, কাজ শেষ করার পর কাজদাতার/ বায়ার অনুমোদন পেলেই তবেই অর্থ ছাড় দিবে ফ্রিল্যান্স ।

এ ক্ষেত্রে কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং দিয়ে থাকে।

গ্রাহকের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে দিতে হয় ফ্রিল্যান্সারদেরকে।

এখান থেকে ব্যাংক , কার্ড ও বিভিন্ন ওয়েব মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা তুলা সম্ভব।

ওয়েবসাইটের ঠিকানা: https://www.freelancer.com

আপওর্য়াক

আপওর্য়াক হলো আরেকটি পপুলার মার্কেটপ্লেস এখান থেকে  আপনারা কাজ করতে  পারবেন ।

এখানে প্রায়  লক্ষ লক্ষ ফ্রিলেন্সার কাজ করে আর এখানে প্রাই সব ধরনের কাজ করতে পারবেন বা আপনি কাজ পাবেন।

এখানের আপনি বায়ারদের তাদের কাজের বিবরণ দেই সেই কাজ গুলো করে দিলে তারা পেমেন্ট করে দেই। এ ক্ষেত্রে কাজের মানের ওপর কাজদাতা রেটিং দিয়ে থাকে।

গ্রাহকের পছন্দ না হওয়া পর্যন্ত কাজ করে দিতে হয় ফ্রিল্যান্সারদেরকে।

এখান থেকে ব্যাংক , র্কাড ও বিভিন্ন ওয়েব মানি ট্রান্সফারের মাধ্যমে টাকা তুলা সম্ভব।

ওয়েবসাইটের ঠিকানা: https://www.upwork.com

ফাইভার

ফাইভার হচ্ছে  সবচাইতে বড় ও জনপ্রিয় একটা মার্কেটপ্লেস এখান থেকে  সহজে এবং বিশ্বস্ত আউটর্সোসিং করে উর্পাজন করার জাইগা।

এখানে রেজিস্টেশন করে বায়ার রিকুয়েস্ট পাঠিয়ে এবং গিগ তৈরি করে উর্পাজন করা সম্ভব। ‍

 নিচে ক্লিক করে রেজিস্টেশন করতে পারবেন।

গুগল অ্যাডসেন্স

গুগল এডসেন্স অনলাইনে আয়ের একটি সবচাইতে  সহজ ও নির্ভযগ্য উপায়। আপনি চাইলে গুগল  এডসেন্স থেকে আয় করা সম্ভব।

অ্যাডসেন্স হল গুগলের একটি অ্যাড নেটওয়ার্ক। এখান থেকে ইনকাম করার প্রথম শর্ত হলো আপনাকে একটি ওয়েব সাইট থাকতে হবে ।

এরপর আপনার ওয়েব সাইটে কাজ করতে হবে কমপক্ষে 7 টা পোস্ট করতে হবে তারপর আপনাকে গুগল এ্যাডসেন্স  এর জন্য গুগলের কাছে আবেদন করতে হবে।

টেলিভিশন চ্যানেলে যেমন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করে তাদের থেকে টাকা ইনকাম করে, ঠিক তেমনই গুগল অ্যাডসেন্সের কাছ থেকে বিজ্ঞাপন নিয়ে আপনার কোন একটা সাইটে শো করিয়ে ভিজিটর দিয়ে ক্লিক করালে গুগল অ্যাডসেন্স আপনাকে টাকা দেবে।

গুগল অ্যাডসেন্সের অ্যাড শো করার জন্য আপনাকে অনেক বেশি অ্যাকটিভ থাকতে হবে। কেনোনা ইনক্যাক্টিভ কোন সাইট অ্যাডসেন্স অ্যাপ্রুভ করে না।

এছারা সাইট যদি কোন এডাল্ট কনটেন্টের হয়, তাহলে অ্যাডসেন্স ঐ সাইট বা মাধ্যম কোনভাবেই অ্যাপ্রুভ করবে না।

তাছাড়া আপনার মাধ্যম যদি কোন ব্যক্তি প্রধানদের জন্য হুমকি স্বরূপ হয় তাহলেও অ্যাডসেন্স অনুমতি দেবে না।

এছারা আমরা বিভিন্নভাবে গুগল অ্যাড দেখাতে পারি যেমন ইউটিউব এ ভিডিও পাবলিশ করে।

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং

আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার ও ওয়েব ডেভেলপার হন তাহলে এটি আপনার জন্য অনেক বড় একটি ভালো ইনকাম করার উপায় হবে।কারণ ওয়েবসাইট ফ্লিপিং এ হিউজ পরিমাণ ইনকাম করা সম্ভব।

ওয়েবসাইট ফ্লিপিং হল, আপনার নিজের কোন বানানো ওয়েবসাইট বা স্বল্প খরচের ওয়েবসাইট কিনে সেটাতে কজ করে  বেশি মূল্যে বিক্রি করা।

শুধু সাইট বানালেই হবে না, আপনার সাইট হতে হবে প্রফেশনাল। যাতে করে বায়াররা আপনার সাইট কিনতে উৎসাহী হয়।

আপনার সাইট সুন্দর করে আগে সাজাতে হবে। তারপর আপনার সাইটে অনেক বেশি ভিউয়ার আনতে হবে।

যাতে করে আপনার সাইটের মাধ্যমে কোন কাজ শুরু করলে যেন অনেক বেশি লোকজনের কাছে পৌছাতে পারে।

এক কথায় আপনার সাইটটি জনপ্রিয় করে তুলতে হবে এবং কাজের জন্য উপযোগী করে তুলতে হবে।

তাহলে আপনি আপনার ঐ স্বল্প টাকায় বানানো সাইট আপনার খরচের থেকে অনেক গুণ বেশি দামে বিক্রি করতে পারবেন।

দামটা ততই বেশি হবে যত আপনার সাইটের ভিউয়ার বেশি হবে ও সৌন্দর্য্য দৃষ্টিনন্দন হবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং

এই কাজটা  সহজ হলেও ইনকাম করাটা  কঠিন। অনলাইনে এখন অনেক কেনা কাটার সাইট আছে। যেমন amazon.com, daraz.com, aliexpress.com ইত্যাদি।

এই সমস্ত সাইট থেকে হাজার হাজার ধরনের পণ্য বিক্রি হয়। 

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং হল, এই সকল সাইট থেকে কোন একটা পণ্য আপনার রেফারেন্সে বিক্রি করে ইনকাম করা।

আপনার রেফারেন্সে কোন পণ্য বিক্রি হলে সেটা থেকে আপনি কমিশন পাবেন।  

 আপনি কেনাবেচার সাইটে একটি অ্যাকাউন্ট খুলবেন। যে সাইটে অ্যাকাউন্ট খুলবেন সেই সাইট থেকে আপনি একটা বিজ্ঞাপনের অ্যাফিলিয়েট লিংক কপি করে আপনার বিভিন্ন স্যোসাল মিডিয়াতে  পাবলিশ করবেন, এ জন্য আপনার ফেসবুকে পেজ তৈরি করে নিতে পারেন ।

 তারপর আপনার পাবলিশ করা লিংকে ঢুকে যদি কেউ ঐ পণ্যটি কেনে বা ক্রয় করে তাহলে আপনি কমিশন পাবেন।

এভাবে আপনি যত লিংক শেয়ারের মাধ্যমে যত বেশি পণ্য সেল করতে পারবেন। তত বেশিই ইনকাম হবে আপনার।

গ্রাফিকস ডিজাইন


অনলাইনে ঘরে বসে আয়ের ক্ষেত্রে গ্রাফিকস ডিজাইন উর্পজনের একটি ভালো উপায়।

যারা এই কাজে দক্ষ, তারা তাদের তৈরিকৃত বিভিন্ন ডিজাইন অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে দিয়ে রাখেন।

সেখান থেকে তাদের ডিজাইন বিক্রি করে থাকে। তাদের তৈরি একটি পণ্য অনেকবার বিক্রি হয়, অর্থাৎ একটি ভালো নকশা থেকেই দীর্ঘদিন পর্যন্ত আয় হতে থাকে।

অনলাইনে এ ধরনের অনেক ওয়েবসাইটে গ্রাফিকসের কাজ বিক্রি করা যায়।


ইংরেজির পাশাপাশি অন্য কোনো ভাষা ভালোভাবে জানা থাকলে সেই দক্ষতা কাজে লাগিয়ে আয় করতে পারেন।

অনুবাদ

বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যেখানে বিভিন্ন ডকুমেন্ট বিভিন্ন ভাষায় অনুবাদ করে আয় করতে পারেন।

আপনারা যত বেশি ভাষা জানবেন তত বেশি আয় করতে পারবেন। অনেক সময় কাজদাতারা নিজে সময়ের অভাবে অনুবাদের কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেন।

পিটিসি


অনেক ওয়েবসাইট আছে, যাতে রাখা বিজ্ঞাপনগুলোতে ক্লিক করলে আপনাকে অর্থ দেওয়া হবে।

এ ধরনের সাইটকে পিটিসি সাইট বলে। কাজ শুরু করার আগে নিবন্ধন করতে হয়। তবে মনে রাখতে হবে পিটিসি সাইটগুলো খুবি কম ইনকাম হয় আর অনেক সাইট ই  ভুয়া হয়ে থাকে।

 তাই কাজের আগে নিশ্চিত হতে হবে সেটি আসল সাইট কি না।

কেপ্চা ইন্ট্রি


অনলাইনে সহজ কাজগুলোর একটি হচ্ছে কেপ্চা এন্ট্রি। এ ক্ষেত্রে অবশ্য আয় খুব কম হয় এবং কাজ ও অনেক বেশি করতে হয়।

তবে এ ধরনের কাজ অটোমেশনের কারণে এখন খুব কম পাওয়া যায়। যাদের কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও দ্রুতগতির টাইপিং দক্ষতা আছে, তাঁরা এ ধরনের কাজ করতে পারবেন।

যে কেউ যদি টাইপ করতে পরেন সে এই কাজ করতে পারেন।

ই-কমার্স বিজনেস

বর্তমানে ইন্টারনেট যুগে অনলাইন থেকে আয় করার একটি অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে ই-কমার্স বিজনেস।

 ই-কমার্স বলতে আমরা স্বাভাবিক ভাবে বুঝি যে অনলাইনে কোন পডাক্ট বিক্রি করা। 

কোন ওয়েব সাইট  থেকে কেনাকাটা করেন আপনাকে আপনার প্রোডাক্ট পৌঁছে দেয়।

সেরকম ভাবে আপনি যদি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বা একটি ই-কমার্স ব্যবসার মালিক হতে চান। 

তাহলে অবশ্যই আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকতে হবে এবং আপনি যে সমস্ত পণ্যগুলো বিক্রি করবেন সে সমস্ত পণ্য গুলো আপনাকে নিজ দায়িত্বে কাস্টমারের কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

কাস্টমাররা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে কোন প্রোডাক্ট অর্ডার করবে সে অনুযায়ী আপনাকে কাজ করতে হবে।  ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য আপনি, ডিজিটাল প্রোডাক্ট ইউজ করতে পারেন।

ড্রপশিপিং

সর্ব প্রথম জেনে নেব ড্রপশিপিং কি? মনে করুন, আপনার গ্রামে বা আপনার আশেপাশে পরিচিত কিছু লোক ভাল মানের প্রডাক্ট তৈরী করে বিভিন্ন দোকানে প্রতি পিছ 500 টাকায় বিক্রয় করে।

কিন্তু আপনি দেখেছেন, একই প্রডাক্ট এমাজনে ৮০০ টাকায় বিক্রয় হচ্ছে।

এমন কি বড় বড় মার্কেটে এইসব পোষাক ৮০০ টাকা থেকে ১৫০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রয় হচ্ছে, যেমন চাষীদের কাছ থেকে ক্রয় করে নিয়ে যাওয়া ৫ টাকার বেগুন ঢাকা শহরে ৫০-৬০ টাকায় বিক্রয় হয়।

এইসব দেখে আপনি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট বানিয়ে তাদের পোষাক গুলোকে আপনার সাইটে সাজিয়েছেন।

অথবা বাংলাদেশের বড় বড় ই-কমার্স সাইটে একটি প্রোফাইল বানিয়ে পোষাক গুলো সাজিয়েছেন।

এই সাইট গুলোর মাধ্যমে আপনি প্রতি পিছ ৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে এবং যারা প্রডাক্ট তৈরী করে তাদের কাছ থেকে প্রতি পিছ ৫০০ টাকায় নিলে, তাহলে প্রতি পিছে আপনার লাভ থাকে ১০০ টাকা।

এভাবে হাজার টাকা উপার্জন করতে পারছেন। সারা বিশ্বে অনেক মানুষ amazon.com সহ বড় বড় ই-কমার্স সাইট গুলোর মাধ্যমে এই ড্রপশিপিং করে উর্পাজন করছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *