Digital Marketing

Understanding eCommerce (ই-কমার্স )

[pl_row] [pl_col col=12] [pl_text]

ই-কমার্স কি , কেন এবং কিভাবে?

ইলেক্ট্রনিক নেটওয়ার্ক, বিশেষ করে, ইন্টারেনট ব্যবহার করে পণ্য ক্রয়-বিক্রয়, অর্থ লেনদেন ও ডাটা আদান-প্রদানই হচ্ছে ই-কমার্স বা ই-বাণিজ্য। ই-মেইল, ফ্যাক্স, অনলাইন ক্যাটালগ, ইলেক্ট্রনিক ডাটা ইন্টারচেঞ্জ (ইডিআই), ওয়েব বা অনলাইন সার্ভিসেস ইত্যাদির মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। সাধারণত ই-কমার্স সুসম্পন্ন হয় এক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও আরেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের (বি টু বি) মধ্যে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও ভোক্তার (বি টু সি) মধ্যে, ভোক্তা ও ভোক্তার (সি টু সি) মধ্যে। এক কথায় প্রায় স্বয়ংক্রিয় আদান-প্রদানের এই বিপণন প্রক্রিয়ার নাম হচ্ছে ই-কমার্স।

• অনলাইন শপিং : পণ্য অনলাইনে বেচাকেনা ই-কমার্সের কমন একটি উদাহরণ। এখানে বিক্রেতারা অনলাইনে খুচরা বিক্রেতাদের কাছে পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন দেয়। ক্রেতারা তা দেখে মাউজের ক্লিকের মাধ্যমে তা কেনে। Amazon.com এরকম অন্যতম একটি ওয়েবসাইট যেখানে পণ্য বা সেবা অনলাইনে বেচাকেনা করা হয় তবে বাংলাদেশে এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম এখনও শুরু

• ইলেক্ট্রনিক পেমেন্ট : যখন আপনি অনলাইনে কিছু কিনবেন তখন অনলাইনে তার দাম দেওয়ার জন্য মেকানিজমও আপনার থাকতে হবে। এর কারণে গ্রাহক গ্রহীতা দুজনই একটা ছবির মধ্যে চলে আসেন। ই-পেমেন্টে অপ্রয়োজনীয় কার্যক্রম যেমন মেইলিং করা এসব করতে হয় না। একই সঙ্গে এটি বিভিন্ন অনিশ্চয়তা থেকেও রেহাই দেয়।

• ইন্টারনেট ব্যাংকিং : বর্তমানে ব্যাংকের কোনো অফিসে শারীরিকভাবে না গিয়েই আপনি ব্যাংকের যাবতীয় কার্যক্রম সারতে পারবেন। এভাবে আপনি ক্রেডিট কার্ডও নিতে পারবেন। যা ই-কমার্সের বড় সাফল্য।

• অনলাইন নিলাম : আপনি যখন অনলাইন নিলামের কথা ভাবেন তখনই আপনার মনে আসে ই-বে এর কথা। বাস্তবে কিছু নিলাম করতে হলে কতিপয় লোকের কাছে আপনাকে নির্দিষ্ট দিনে তা করতে হয়, কিন্তু অনলাইন নিলামে আপনি স্বল্প সময়ে অসংখ্য মানুষের কাছে কোনো কিছু নিলাম করতে পারবেন। অনেকেই বাস্তব বেচাকেনার চেয়ে অনলাইন নিলামকে এজন্য বেশি পছন্দ করে। বাংলাদেশে এর পূর্ণাঙ্গ কার্যক্রম এখনও শুরু হয়নি।

• অনলাইন টিকেটিং : বিমান, ট্রেন, খেলা বা সিনেমা হলের টিকেট আপনি এখন অনলাইনে খুব সহজেই করে ফেলতে পারেন। এজন্য আপনাকে কাউন্টারে গিয়ে অনেক্ষণ দাঁড়িয়ে হয়রান হতে হয়

ই-কমার্সের ধরণ
ই-কমার্সে অংশ নেয়া ক্লাইন্টদের ভিত্তিতে একে নিম্নোক্ত ভাগে ভাগ করা হয়।

• ব্যবসায় থেকে ব্যবসা (B2B)
B2B হল এমন ক্ষেত্র যেখানে গ্রাহক গ্রহীতা পণ্যের উৎপাদক, খুচরা বা পাইকারী বিক্রেতা কিংবা শুধু ব্যবসার জন্য লেনদেন করে।

• গ্রাহক-টু-বিজনেস (C2B)
যখন ব্যবসায়ীরা কাস্টমার বা ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রির জন্য অনলাইনে অবতীর্ণ হয় তখন তাকে B2C বলে।

• গ্রাহক-থেকে-গ্রাহক  (C2C)


বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় একজন ভোক্তা নিজেই বিক্রেতা হয়ে অন্য ভোক্তার কাছে নিজের পণ্য বা সেবা বিক্রি করার প্রয়াস চালায়। একে বলে C2C।

ই-কমার্সের সুবিধা


ই-কমার্সের প্রধানতম সমুহ নিচে বর্ণনা করা হলো

1)ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসা কোনো প্রতিষ্ঠানকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক  বাজারে  প্রকাশ করতে সাহায্য করে।

  2)দ্রুত ক্রয়/বিক্রয় পদ্ধতি করা যায় এবং সহজে পন্য খুজে পাওয়া যায়।ব্যবসা পরিচালনায় খরচ খুব কমিয়ে থাকে।

3)আর্থিক লেনদেনের খরচ কম হয়ে থাকে।

4)ই-কমার্সের তথ্য প্রক্রিয়াকরণের জন্য বিভিন্ন খরচ যেমন- পণ্য তৈরি করা, বিতরণ করা, সংরক্ষণল করা ইত্যাদি কার্যক্রমের খরচ ব্যাপকভাবে কমিয়ে থাকে।

5) ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসায় ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে খুব সহজেই ক্রেতার কাছে পৌছা যায়।

6) ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসার মাধ্যমে সহজে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরি করা যায়।

7)ই-কমার্স(e-commerce) কেনাকাটা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য ওয়ার্কিং টাইম সেভ করে থাকে।

8)ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসায় অতি দ্রুত পন্য ভোক্তার কাছে পৌছে দেওয়া হয়।

9)ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসায়িক ব্যয় সংকোচনের পাশাপাশি ক্রেতার জন্য কেনাকাটার খরচ কমিয়ে দিয়েছে এবং কেনাকাটার গতির সঞ্চার করেছে।

10)ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসায় কাস্টমারকে উন্নত সার্ভিস প্রদানের সুবিধা দিয়ে থাকে।

11)ই-কমার্স (e-commerce) বাজারে নতুন ধরনের চাকরির সুযোগ সৃষ্টি করছে।

যেমন-মাল্টিমিডিয়া ডেভেলপার, ডেটাবেস ডিজাইনার, প্রোগ্রামার ইত্যাদি

12)ই-কমার্সের ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানসমূহ পরস্পরের ব্যবসা পরিচালনা পদ্ধতি, সার্ভিস এবং মূল্য সম্বন্ধে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সহজেই জানতে পারে। ফলে ব্যবসা-প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায়ে থাকে।

12) ই-কমার্স(e-commerce) ব্যবসায়ে স্বল্প সময়ে বাজার যাচাইয়ের সুবিধা প্রদান করে থাকে এবং তাৎক্ষণিক অর্ডার প্রদানের সুবিধা প্রদান করে থাকে।

ই-কমার্সের বিশেষ কাঠামো
বর্তমানে ই-কমার্সের বিশেষ ব্যবহারের কারণে বিশেষ ধরণ লক্ষ্য করা যায়। যেমন :

• Mcommerce
Mcommerce বা এম কমার্স হল মোবাইলের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা। মোবাইলে ইন্টারনেট চালু করে মোবাইলেই ব্যবসা করার নামই এম কমার্স।

• Fcommerce
Fcommerce বা ফেসবুক কমার্স। ফেসবুকে ব্যবসায়িক কার্যক্রম করা। ফেসবুক ব্যবহারকারীর সংখ্য ক্রমাগত বাড়তে থাকায় এফ কমার্সও ক্রমশ জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

[/pl_text] [/pl_col] [/pl_row]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *