http://ittechrajbd.com/
Digital Marketing

SEO

SEO (Search Engine Optimization) টা হলো আপনার সাইট কে সার্চ ইঞ্জিনে সনাতন পদ্ধতিতে উপরের দিকে দেখানো বা রেঙ্ককিং বাড়ানো। এই ক্ষেত্র আপনি আপনার পেজকে such বারের প্রথম দিকে দেখাবে, আর আপনার পেজে ভিজিটর স্যংখ্যা বাড়বে অনেক বেশি এবং সেটাও কোন প্রকার টাকা খরচ না করে , আর এটা একটা স্থায়ী প্রদ্ধতি আপনার পেজকে রেঙ্ককিং করানোর।

সার্চ ইঞ্জিন কি ?

আমার ওয়েবে কোন কিছু খোজ করার জন্ন যে জাইগাতে গিয়ে সার্চ দিয়ে থাকি , সেটাই হলো কিছু সার্চ ইঞ্জিন।

কিছু জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনের নাম:

  • www.google.com
  • www.yahoo.com
  • www.bing.com
  • www.ask.com
  • www.msn.com
  • www.aol.com
  • www.altheweb.com
  • www.altavista.com

SEO (Search Engine Optimization) করানোর জন্ন্  কয়েকটা উপায়ে কাজ করতে হয়।

১) অন পেজ এস ই ও (On Page SEO)

২) অফ পেজ এস ই ও (Off Page SEO)

৩) হোয়াইট হ্যাট এস ই ও (white Hat SEO)

৪) ব্লাক হ্যাট এস ই ও (Black Hat SEO)

৫) ম্যাটা ট্যাগ (Meta Tag)

৬) কি- ওর্য়্যাড রির্সাচ (Keyword Research)

৭) ইউ আর এল (URL)

৮) ‍ভিজিটর (Visitor)

৯) পেজ রেঙ্ককিং (Page Rank)

১০) বেক লিংক (Back Link)

নিচে বিস্তারিত বণর্না করা হলো

অন পেজ এস ই ও (On Page SEO)

আপনার পোস্টটি এমন ভাবে সাজান যেনো সার্চ ইঞ্জিন সহজেই বুঝতে পারে, আপনি কি নিয়ে লিখছেন যদি গুছিয়ে অন-পেজ অপ্টিমাইজশেন না করেন তবে ফল পাবেন না। দেখা যাবে লিখেছেন জব নিয়ে এর উপরে আর রেঙ্ককিং করেছে জিবনী নিয়ে। সহজ কথায় আর্টিকেল টিকে এমন ভাবে সাজানো যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই আপনার লেখার টপিক টা বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী লেখাটিকে রেঙ্ককিং করে।

অফ পেজ এস ই ও (Off Page SEO)

অফ পেজ এর নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এখানে যতো জারিজুরি তার সবটাই নিজের পেজের বাইরে মানে অন্যের ওয়েবসাইটে। যে কোন অন্ন  সাইটের মাধ্যমে আপনার পেজ এর রেঙ্ককিং বাড়ানোর কৌশল হলো অফ পেজ এস ই ও।

হোয়াইট হ্যাট এস ই ও (white Hat SEO)  

বৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের কিছু নিয়ম এবং শর্ত মেনে সার্চ ইঞ্জিনে পেজ রেঙ্ককিং বারানোর কৌশল হলো হোয়াইট হ্যাট এস ই ও।

  • যেটা গুগল এর নির্দেশনাসমূহ মেনে চলে।
  • যেটাতে কোন প্রতারনার পন্থা অবলম্বন করা হয় না।
  • এটা নিশ্চিত করে যে, গুগল সার্চ এ যে বিষয়বস্তু সমূহ প্রদর্শন করবে, ওয়েবসাইট এর বিষয়বস্তুসমূহ ঠিক একই হবে।
  • এটা নিশ্চিত করবে যে, ওয়েবসাইট এর বিষয়বস্তুসমূহ প্রধানত ব্যবহারকারীদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে, শুধুমাত্র গুগল এর সার্চ ইঞ্জিন এ ভাল অবস্থান পেতে নয়।
  • যেটা ওয়েবপেজ এর ভাল গুনাগুন নিশ্চিত করে।
  • যেটা ওয়েব পেজ এ ভাল মানের বিষয়বস্তুর নিশ্চয়তা বিধান করে।

ব্লাক হ্যাট এস ই ও (Black Hat SEO)

 অবৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের  নিয়ম এবং সার্চ ইঞ্জিনের শর্ত না মেনে সার্চ ইঞ্জিনে পেজ রেঙ্ককিং বারানোর কৌশল হলো ব্লাক হ্যাট এস ই ও ।

  • গুগল এর নির্দেশনা সমূহ উপেক্ষা করে ওয়েবসাইট এর রাঙ্ক বৃদ্ধিতে কাজ করলে।
  • যদি ব্যবহারকারিকে অন্যকোন ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়, যার মান পূর্বোক্ত ওয়েবসাইট এর সমান বা কম মানের অধিকারী।
  • কি ওয়ার্ড এ মেটা ট্যাগ এর পুনরাবৃত্তি ঘটালে।
  • ওয়েবসাইট এর ঠিকানার সাথে মিল না রেখে বিষয়বস্তু নির্ধারণ করলে।
  • এইচ টি এম এল কোড ব্যবহার করে ওয়েব পেজ এর কোন বিষয়বস্তু গোপন করলে।

ম্যাটা ট্যাগ (Meta Tag)

<meta name= ‘‘description” content= ‘‘এস ই ও (SEO) হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন মানে কিছু কাজ করা,যা করলে ১টা অয়েবসাইটকে গুগলে সার্চ করলে পাওয়া যাবে।যেকানে কি ওয়ার্ড রিসার্চ ,অন পেইজ ,অফপেইজ অপ্টিমাইজেশন সহ আরো অনেক কাজ করতে হয়”/>

কি- ওর্য়্যাড রির্সাচ (Keyword Research)

কি- ওর্য়্যাড হলো , আমরা গুগলে  যা লিখে সার্চ দিয়ে থাকি সেটাই । আর কি- ওর্য়্যাড রির্সাচ হলো আমরা যে কি- ওর্য়্যাড টি আমার পেজে ব্যাবহার করলে গুগল সহজে আমাকে খুজে পাবে সেটাই নিয়ে রির্সাচ করা। কি- ওর্য়্যাড রির্সাচ এস ই ও এর জন্ একটি গুরুত্বপূণ বিষয়।

 ইউ আর এল (URL)

ইউ আর এল হলো আমার পেজের এ্যাড্রেস , কেউ যদি আমাদের পেজে ভিজিট করে তাহলে  গুগলের বাড়ে এই এ্যাড্রেস টা দেখা যাই , এস ই ও এর ক্ষেত্রে এর গুরুত্বপূণ বিষয় হলো , আমরা আমাদের ইউ আর এল ব্যাবহার করে ভিজিটর বাড়াতে পারি।

‍ভিজিটর (Visitor)

যারা আমাদের পেজে ভিজিট করবে তাদেরকে আমরা ভিজিটর বলি, মুলত এই ভিজিটর ই আমার পেজের র‌্যাংক বাড়িয়ে থাকে।

 পেজ রেঙ্ককিং (Page Rank)

আমরা এস ই ও করেই থাকি মুলত রেঙ্ককিং করানোর জন্যে । গুগল সার্চ বারের উপরের দিকে আপনার পেজকে নিয়ে আসাটাই হলো পেজ রেঙ্ককিং

বেক লিংক (Back Link)

বেক লিংক হলো আমার পেজের লিংকে ভিভিন্ন জাইগাতে দিয়ে আসা, বা বিভিন্ন সাইটে পেস্ট করে দিয়ে আসা।

কেন শিখবেন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)?

এই যে আপনাকে এতো গুলো কাজ করতে হবে তার তো অবশ্য কোন না কোন সুবিধা আছে, অনলাইন মার্কেটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যা কিনা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং, ইয়াহু, ইত্যাদি) থেকে ভিজিটর আনতে সাহায্য করে। যখন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে কোন কি-ওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করবে, আর সেখানে যদি আপনার সাইটটি রেঙ্ককিং থাকে তখন আপনার পজিশন  সবার উপরে দিকে। আপনি নিজের থেকে একটা জিনিস ভাবুন আপনি যদি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করেন তখন সার্চ রেজাল্ট এর সাইট গুলোর কোন সাইট টাতে আপনি ক্লিক করেন? প্রথম টাতে নাকি পরের গুলোতে? এভাবে সব ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে একই রকম।

আর মানুষ এই কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চায়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা থাকলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী ভিজিটর যে রকম আনা যায়, সেরকম গুগলকে প্রতি মাসে হাজারের উপর ডলার দেওয়া থেকে বেচে যাওয়া যায়। এটা আরেকটু পরিস্কার করি যেমন আপনি যখন গুগলে কোন বিষয় লিখে সার্চ দেন দেখবেন প্রথম কিছু পেইড এড শো করে। এই কী ওয়ার্ডে সার্চ দিলে এই সাইট টি প্রথমে শো করার জন্য গুগল কে পেইড করতে হয়েছে। আর এ জন্য এক কথায় বলা যায় যে, কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে শিখতেই হবে।

হয়ত আপনি ভাবতে পারেন তাহলে আমার সাইট টা তো টপে থাকলো না। হুম এটা যেমন ঠিক তেমনি ওর পেমেন্ট এর কথা ভাবুন তার সাইট গুগল এর টপে রাখার জন্য তাকে প্রতি ক্লিক এ গুগল কে ১ ডলার করে পে করতে হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে আপনি পাচ্ছেন পুরো ফ্রিতে।

আরেক টা জিনিস মাথায় রাখবেন পেইড এড গুলো সবাই পছন্দ করে না। আপনি নিজের থেকে চিন্তা করেন আপনি যদি কোন সাইটে ভিজিট করেন সেখানে যদি কোন এড দেখায় তাহলে আপনি কি এড ক্লিক করেন নাকি সেটা স্কিপ করে যান। এরকম ই সবাই এড এর সাইট গুলোতে ক্লিক করে না। আর সার্চ ইন্জিন র‌্যাংক হিসেব করে এড দেয়া সাইট এর পরের সাইট গুলো।

এ জন্য এস ই ও এর চাহিদা কখনই কমবে না। প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকবে।

একদিকে এস ই ও এর মাধ্যমে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনার জন্য অনেক কাজ অপেক্ষা করছে। আবার যদি আপনি চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করব না নিজের বিজনেস নিজে ডেভলপ করব আপনি সেটাও পারবেন।

আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখেন তবে আপনার জন্য যে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অনলাইন আয়ের জগতে। একটা প্রোডাক্ট তৈরি করা থেকে একটা প্রোডাক্ট মার্কেট পাওয়া অনেক কষ্ট। আর আপনি যখন সেই কঠিন কাজটা নিজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনি অনলাইন আয়ের জগতে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।

One Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *